Logo
নোটিশ :
Wellcome to our website...

জরুরি সেবার সুযোগ নিয়ে চলছে ইয়াবা পাচার থেমে নেই ব্যবসায়ীদের অপকৌশল

ডেস্ক নিউজ / ২৪ বার
আপডেট সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২০
UP
প্রতিকী ছবি

মহামারী করোনায় জরুরি সেবা ছাড়া সকল ধরনের যাত্রীবাহী যান চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে। চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় সাধারণের প্রবেশ ও বাহিরের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে এমন অবরুদ্ধ পরিস্থিতিতেও থেমে নেই মাদক ব্যবসায়ীদের অপকৌশল। জরুরি সেবা ও পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত যানবাহন ব্যবহার করে চট্টগ্রাম, ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় ইয়াবা পাচারের চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা। গত ৭ এপ্রিল রাতে নগরীর কাজীর দেউড়ি এলাকা থেকে ৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। এ ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ থানার ইদ্রিস খানের ছেলে আবির খান তোহা (২৫) ও মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাগী থানার মৃত মনির হোসেনের ছেলে রাকিবুল ইসলাম (২৪)। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ২৫ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযান পরিচালনাকারী টিমের নেতৃত্বদানকারী কোতোয়ালী থানার এসআই (উপপরিদর্শক) সজল কান্তি দাশ আজাদীকে বলেন, ঘটনার রাতে কাজীর দেউড়িতে ঘোরাঘুরি করতে দেখে প্রথমে তাদের জেরা করা হয়। আবোল-তাবোল কথা বললে পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে ওই দুজন তাদের কাছে ইয়াবা থাকার কথা স্বীকার করেন।
সজল বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা মূলত ইয়াবা বহনকারী। ইয়াবাগুলো টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের জনৈক মংমং শিং থেকে আনা হয়েছে। এসব ইয়াবা ঢাকার ডেমরা মাঝপাড়া এলাকার আনোয়ার হোসেনের (৩৫) কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে বর্তমানে তিন ফুট দূরত্বে থেকে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করছে পুলিশ। এই সুযোগটি অপরাধীরা কাজে লাগাচ্ছেন।
মামলার তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার তিনদিন আগে গ্রেপ্তারকৃতরা ঢাকার তেজগাঁও থেকে একটি এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে চট্টগ্রাম মেডিকেল পর্যন্ত আসেন। তাদের টেকনাফে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অ্যাম্বুল্যান্সটি মেডিকেল পর্যন্ত এসে আর ওদিকে যায়নি।
পরে এই দুজন নতুন ব্রিজ পর্যন্ত যান। সেখান থেকে একটি প্রাইভেট কার ভাড়া করেন। কারের সামনে জরুরী রোগী পরিবহনের একটি স্টিকার লাগানো হয়। এভাবেই তারা প্রথমে কঙবাজার ও পরে টেকনাফ পৌঁছান। সেখান থেকে ইয়াবা নিয়ে পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত একটি কাভার্ড ভ্যানে করে নতুন ব্রিজ পর্যন্ত আসেন।
ওই রাতে কাজীর দেউড়িতে পূর্ব পরিচিত একজনের কাছে আশ্রয় নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন তারা। রিকশাযোগে কাজীর দেউড়িতে ঠিকই পৌঁছে যান। কিন্তু যার কাছে যাবেন, তার বাসা ভালোভাবে না চেনায় সেখানে নেমে ঘোরাঘুরি করতে থাকেন। এসময় তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগে ইয়াবার চালান ছিল। পরে তারা পুলিশের হাতে ধরা পড়েন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তোহার বিরুদ্ধে ডেমরা থানা ও কর্ণফুলী থানায় দুটি মাদক মামলা রয়েছে। মামলা দুটি আদালতে বিচারাধীন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর