রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন

ভ্যাকসিন প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান

৫ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে করোনা ভ্যাকসিন ক্রয়, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ‌্যমে যুক্ত হয়ে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রকল্পগুলো নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

এর আগে ২০২০ সালের এপ্রিলে ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস’ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এখন তার সংশোধনী এনে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

পরিকল্পনা মন্ত্রী জানান, গত বছর অনুমোদন দেওয়া প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ১ হাজার ১২৭ কোটি ৫১ লাখ ৬২ হাজার টাকা। সংশোধন করে ৫ হাজার ৬৫৯ কোটি ৭ লাখ ১৯ হাজার টাকা বাড়িয়ে প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৭৮৬ কোটি ৫৮ লাখ ৮১ হাজার টাকা। তবে নতুন করে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হবে না। ২০২৩ সালের জুনেই শেষ হবে প্রকল্পটি।

প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা ঋণের এই অর্থে করোনা ভ্যাকসিন কেনার সঙ্গে সংরক্ষণ ও বিতরণ করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। প্রকল্পের অর্থে দেশের ২৭টি মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে পিসিআর মেশিনসহ আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি ল্যাব স্থাপন করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি দেশের ৫টি ইমিগ্রেশনে ৭টি মেডিক‌্যালে স্ক্রিনিং ইউনিট স্থাপন করা হবে। যার মধ্যে তিনটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, চট্টগ্রামের শাহ আমানত, সিলেটের ওসমানি বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম বন্দরে একটি করে ইউনিট স্থাপন করবে সরকার।

এছাড়া, ৪৩টি জেলা সদর হাসপাতালে ২০ শয্যার আইসোলেশন ইউনিট, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট ও ৬৪টি সিভিল সার্জন কার্যালয়ে করোনার জন‌্য বিশেষ ইউনিট স্থাপন করা হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ